কাঁচা আদাকে বিশেষ প্রক্রিয়ায় শুকিয়ে তৈরি করা হয় আদা শুঁট বা সুঁঠ (Sonth)। আয়ুর্বেদ ও ভেষজ চিকিৎসায় একে “মহৌষধ” বলা হয়। এর ঝাঁঝালো স্বাদ ও গরম ভাব শরীরকে ভেতর থেকে উষ্ণ রাখে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। বিশেষ করে শীতকালে বা বর্ষায় সুস্থ থাকতে আদা শুঁটের জুড়ি নেই।
আমরা আপনার সুবিধার্থে এই পণ্যটি দুটি ভ্যারিয়েশনে সরবরাহ করছি: ১. আস্ত (Whole): বাছাই করা বড় ও পরিপক্ক আদা থেকে তৈরি আস্ত শুঁট। এটি অনেক দিন ঘরে সংরক্ষণ করা যায়। ২. গুঁড়া (Powder): আস্ত শুঁট ভাঙিয়ে তৈরি করা মিহি পাউডার। চা, দুধ বা রান্নায় চটজলদি ব্যবহারের জন্য সেরা।
আদা শুঁট (Dry Ginger/Sonth) -এর উপকারিতা:
-
সর্দি-কাশি ও গলা ব্যথা: পুরনো সর্দি, খুসখুসে কাশি এবং গলা ব্যথা কমাতে এটি জাদুর মতো কাজ করে।
-
বাতের ব্যথা উপশম: এর অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি গুণ হাড়ের জয়েন্টের ব্যথা বা বাতের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।
-
হজম ও গ্যাস: এটি খাবার হজম করতে এবং পেট ফাঁপা বা গ্যাস দূর করতে দারুণ কার্যকরী।
-
প্রসব পরবর্তী যত্ন: মায়েদের প্রসব পরবর্তী সময়ে শরীর সুস্থ রাখতে এবং ধাত্রীবিদ্যায় সুঁঠের ব্যবহার বহু প্রাচীন।
আমাদের আদা শুঁটের বিশেষত্ব:
-
বাছাই করা সেরা মানের আদা থেকে প্রস্তুত।
-
সম্পূর্ণ ধুলোবালি মুক্ত এবং হাইজেনিক প্রসেসিং।
-
গুঁড়াতে কোনো প্রকার ফিলার বা কৃত্রিম ঝাঁঝ মেশানো হয় না।
ব্যবহার বিধি (How to Use):
আদা শুঁট বা সুঁঠ বিভিন্নভাবে খাওয়া ও ব্যবহার করা যায়। নিচে কিছু নিয়ম দেওয়া হলো:
১. মসলা চা (Masala Tea): চা তৈরির সময় সামান্য আদা শুঁটের গুঁড়া মিশিয়ে নিন। এটি চায়ের স্বাদ যেমন বাড়াবে, তেমনি ক্লান্তি দূর করে শরীর চনমনে করবে।
২. সর্দি-কাশির পথ্য: আধা চা চামচ আদা শুঁটের গুঁড়া ১ চা চামচ মধুর সাথে মিশিয়ে দিনে ২ বার খান। এটি বুকের জমে থাকা কফ ও কাশি বের করে দিতে সাহায্য করে।
৩. দুধের সাথে (Golden Milk): গরম দুধের সাথে এক চিমটি আদা শুঁট গুঁড়া ও সামান্য হলুদ মিশিয়ে পান করলে হাড়ের ব্যথা কমে এবং ভালো ঘুম হয়।
৪. রান্নায় ব্যবহার: কাবাব, বিশেষ মাংসের তরকারি, বা পিঠা-পুলি তৈরির সময় আদা শুঁটের গুঁড়া ব্যবহার করলে দারুণ এক অ্যারোমা বা সুঘ্রাণ পাওয়া যায়।
Reviews
There are no reviews yet.